চট্টগ্রাম, , রোববার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

সরকারের সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হলেন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান নজরুল ইসলাম

প্রিয়সংবাদ ডেস্ক  ২০২১-০৮-২১ ১২:০১:১৬   বিভাগ:

 

সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার:: ‌‌ ভুমিহীন মুক্তিযোদ্ধার”বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিভিন্ন পত্র,পত্রিকায় লেখালেখি হয়েছে,,আমরা ” এর বিষয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মোঃ বাদশা মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন স্বাধীনতার ঘোষক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, যার ডাকে,, দেশ স্বাধীন করার জন্য, যুদ্ধে অংশগ্রহণ বা দেশ স্বাধীন করার জন্য সহযোগিতা যারা করেছেন,তাদেরকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সম্মান দিয়েছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তার মধ্যে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মোঃ বাদশা মিয়া, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক বলে পাননি কোন, রাষ্ট্রীয় মর্যাদা।পায়নি কোন চিকিৎসা,,

তিনি আরও বলেন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে, কোন সুযোগ সুবিধা,না পেয়ে কষ্ট বুকে চেপে ভূমিহীন হিসেবে মৃত্যু বরন করতে হয়, বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মোঃ বাদশা মিয়াকে,,,১৯৯৬ সালে আওয়ামিলীগ সরকার ক্ষমতায় আশার পর ভূমিহীন বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মোঃ বাদশা মিয়ার কবরের স্থানটি চিহৃিত করাও হয়নি।

আরও দুঃখ প্রকাশ করে বলেন বীর মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী ভারপ্রাপ্ত ভূমিহীন হিসেবে অবহেলায়,, চিকিৎসার অভাবে মৃত্যু বরন করেন কি আর বলব দুঃখের কথা।

তবে শুনেছি পিতার মুখে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কথা। বাবার মুখের ওই আদর্শোকে ধারণ করিয়া বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসেবে,০১/০১/১৯৯৫ সালে ততকালীন সরকার আমলে নির্যাতনের শিকার সহ অন্ধকারে কাটাতে হয়েছে নজরুল ইসলামকে বেশ কিছু বছর।
১৯৯৬ সালে আওয়ামিলীগ সরকার ক্ষমতায় আছেন, তখনও বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর জেলার ছাত্রলীগ কমিটির সদস্য হিসেবে ছিলেন, , আবারও যখন ১৫/১০/২০০১ সালে ততকালীন বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিএনপির সন্ত্রাস বাহিনী ও জামায়াতের ছেলেরা,মোহাম্মদ নজরুল ইসলামকে দাওয়া করে, পেটের মধ্যে ছুরি দিয়ে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন এবং হাতের কবজির মধ্যে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে আঘাত করেন, মাথা ও কোমরের মধ্যে গুলি করেন,এ ধরনের নির্যাতনের শিকার হন তিনি।
আজ দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে তৎকালীন সময়ে জামাত বিএনপির, গডফাদার ছিলেন মীরসরাই এমপি জিন্না এবং সীতাকুণ্ডের মন্ত্রী এল কে সিদ্দিকী।
এদের নির্যাতনের শিকার হন, তিনি এরা, পুলিশের মাধ্যমে বিভিন্ন মামলা দিয়ে পাঁচটি বছর অন্ধকার কারাঘরে রেখেছেন এমনকি পরিবার পরিজন কে হুমকির মুখে রেখেছেন বলে জানান তিনি।

বিগত ২০০৬ সালে অন্ধকার ঘর থেকে মুক্তি পাওয়ার পর বীর মুক্তিযোদ্ধার ছেলে নজরুল ইসলাম চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগ কমিটির সদস্য হিসেবে ছিলেন। এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসাবে চলাফেরা করতেন।

বর্তমান ডিজিটাল বাংলাদেশে এমনই অবস্থা যে বঙ্গবন্ধুর আদর্শেরর সৈনিক পরিচয় দিলে, যেকোন জায়গায় হতে হয়, কঠিন নির্যাতনের শিকার এ কেমন পরিহাস,

তবে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান আজও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন বলে জানান তিনি।

মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য থেকেও ২০২০সালে ১০/১১/১২ তিন মাসের ভাতা ও বৈশাখী ভাতা পাচ্ছি না,ভাতার বিষয়ে সীতাকুণ্ড সমাজসেবা অফিস ও সীতাকুণ্ড উপজেলার নির্বাহী ও মুক্তিযোদ্ধার অফিসে কথা বলতে গেলে ঘোরাঘুরি করন ছাড়া পাওয়া যায় না কোন ধরনের সমাধান।

বর্তমান আওয়ামিলীগ সরকার ভূমিহীনদেরকে ঘর করার জন্য ১০/১৫লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়,বীর মুক্তিযোদ্ধার ছেলে হিসেবে ঘর বরাদ্দের টাকা পাওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন যাচাই বাছাইয়ে ঘর বরাদ্দের টাকা পাওয়ার যোগ্য সীতাকুন্ড দক্ষিণ ইদুলপুরের ৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোঃ মফিজুর রহমান ভোটার আইডি কার্ডের নিচে লিখিত ভাবে বলেন নজরুল ইসলাম তোমার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা বাদশা মিয়া ছিলেন অর্জিনাল মুক্তিযোদ্ধা, এই টাকা পাওয়ার যোগ্য তুমি বলে জানান কাউন্সিলর

বিগত ১৩/০৯/২০ইং তারিখে সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে নজরুল ইসলামের পাশ করা ফাইলটি মোটা অংকের টাকা না দেওয়ার কারণে ফাইলটি বাতিল করেন।

মুক্তিযোদ্ধার ছেলে ভূমিহীন হিসেবে অনেক পত্রপত্রিকায় প্রতিবেদন ও আবেদন করেছিলেন ভূমিহীন এর জায়গায় জন্য।
এতে সুপারিশ করছেন মাননীয় মুক্তিযোদ্ধার মন্ত্রী,আ ক ম মোজাম্মেল হক।

সীতাকুণ্ড এমপি দিদারুল আলম, সীতাকুণ্ড উপজেলার চেয়ারম্যান, জাতীয় শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক কে এম আজম খসরু, বাংলাদেশ আওয়ামিলীগের সম্পাদক শ্রম ও জনশক্তি বিভাগ মোঃ হাবিবুর রহমান সিরাজ, ১০নং ছলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আজিজ।

সরকারি জায়গা বরাদ্দের জন্য ভূমিহীন হিসেবে আবেদন জমা দেওয়া হয়,
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে,২৫/১০/২০২০ইং তারিখে। অতি দুঃখ কষ্ট নিয়ে আত্নহত্যা করার সিধান্ত নেন,এতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ৪টি লাশ উপহার দিবেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মোঃ বাদশা মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।
বর্তমানে ভাতাপ্রাপ্ত,(Mis) নম্বর০১১৫০০০৮৬৪২,
বেসামরিক গেজেট নম্বর:১৮৮৬,
নাল মুক্তিভাতা নম্বর:০২০৩০৫০৫৯৫,

বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মোঃ বাদশা মিয়ার স্থায়ী ঠিকানাঃ গ্রাম দক্ষিণ ইদুলপুর ওয়ার্ড নং ৮ থানা,জেলা,সীতাকুণ্ড চট্টগ্রাম।
বীর মুক্তিযোদ্ধার ছেলে মোহাম্মদ নজরুল, বর্তমানে ভূমিহীন,



ফেইসবুকে আমরা