চট্টগ্রাম, , বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০

চট্টগ্রামে কোভিড ব্লকের উদ্বোধনকালে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ স্বাস্থ্যাবিধি মেনে জীবন জীবিকা চালু রাখতে হবে

প্রিয়সংবাদ ডেস্ক  ২০২০-০৮-১৭ ১৯:১১:১৩   বিভাগ:

মো.মুক্তার হোসেন বাবু :: তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, স্বাস্থ্যাবিধি মেনে জীবন জীবিকা চালু রাখতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষের শুধু জীবন নয়, জীবিকা রক্ষারও পদক্ষেপ নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত ও যথাযথ পদক্ষেপের কারণে অনেক উন্নত দেশের তুলনায় বাংলাদেশে মরণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মত্যুর হার একেবারে নিম্ম পর্যায়ে। গতকাল সোমবার সকালে চট্টগ্রামস্থ ৪০০ শয্যা বিশিষ্ট আধুনিক এবং বহুমুখী বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্র ‘ইমপেরিয়াল হাসপাতাল’র সম্প্রসারিত ১৭টি কেবিন সম্বলিত কোভিড বøকের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
বিশ্বমানের ইমপেরিয়াল হাসপাতাল দেশের স্বাস্থ্য সেবাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিচ্ছে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রতিবেশী দেশ ভারত, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে যাওয়া বাংলাদেশি মানুষের সংখ্যা প্রতি বছরই বাড়লেও এখন এ হাসপাতালের জন্য বিদেশযাত্রার হার অনেকাংশে কমবে। এতে দেশের হাজার হাজার কোটি টাকা দেশেই থাকবে। মন্ত্রী ইমপেরিয়াল হাসপাতালের নন-কোভিড কয়েকটি বিভাগও পরিদর্শন করেন। এ সময় অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সমৃদ্ধ ৯ শয্যা বিশিষ্ট নিউরো-আইসিইউ বিভাগেরও উদ্ভোধন করেন এবং উন্নতমানের চিকিৎসা সরঞ্জাম ও ব্যবস্থাপনার ভূয়সী প্রশংসা করে হাসপাতালের উন্নতিকরণে যাবতীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ‘ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল’ এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমজাদুল ফেরদৌস, পরিচালকবৃন্দ যথাক্রমে এম.এ মালেক, জাহাঙ্গীর আলম খান, প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, প্রফুল্ল রঞ্জন সিংহ, আরিফুল করিম, নাফিদ নবী, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমসহ হাসপাতালের কনসালটেন্ট,চিকিৎসক ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, চট্টগ্রামস্থ ইমপেরিয়াল হাসপাতালে দেশের বিভিন্ন মহলের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে কোভিড-১৯ রোগীদের জন্য ৫০ শয্যার সম্পূর্ণ আলদা বøকে চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মধ্যে ২১টি শয্যা আইসিইউ এবং এইচডিইউ এর জন্য সংরক্ষিত। অপেক্ষাকৃত কম জটিল রোগীদের জন্য ১৭টি কেবিন রয়েছে। সংক্রমন রোধের জন্য আলদা বহিঃবিভাগ, ল্যাবরেটরী, এক্সরে ইত্যাদির ব্যবস্থা করা হয়েছে ও চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত ডাক্তার, নার্স, টেকনিশিয়ানসহ কর্মকর্তাদের থাকা, খাওয়া, লন্ড্রীসহ সম্পূর্ণ আলদা ব্যবস্থা আছে। তবে ইমপেরিয়াল হাসপাতালের অন্যান্য বিভাগের চিকিৎসা সেবা পূর্বের ন্যায় অব্যাহত রয়েছে।



ফেইসবুকে আমরা