চট্টগ্রাম, , বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০

করোনা পরীক্ষা সহজলভ্য করুন নইলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে

প্রিয়সংবাদ ডেস্ক  ২০২০-০৫-১৩ ১৯:৩০:১৮   বিভাগ:

 

প্রিয় সংবাদ ডেস্ক :: বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য সরকারের সমন্বয়হীনতাকে দায়ী করে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) এক বিবৃতিতে বলেছে, কোভিড রোগী ক্রমবর্ধমানহারে বৃদ্ধি ও টেস্টের অপ্রতুলতার জন্য স্বাভাবিকভাবেই পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে। এমতাবস্থায় কোভিড-১৯ সনাক্তকরণ রোগী ও কোভিড সন্দেহভাজন রোগীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে, কোভিড-১৯ সনাক্তকরণ পরীক্ষা প্রয়োজনে বেসরকারি হাসপাতালের মাধ্যমে উন্মুক্ত করতে হবে। নতুবা অদুর ভবিষ্যতে পরিস্থিতি ভয়াবহ রুপ ধারণ করবে এবং আয়ত্তের বাইরে চলে যাবে। ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ হারুন আল রশিদ ও মহাসচিব ডা. মো. আব্দুস সালাম বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এসব কথা বলেন

নেতৃদ্বয় অনতিবিলম্বে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে কোভিড-১৯ সনাক্তকরণ পরিক্ষা সহজলভ্য করার দাবী জানিয়ে বলেন, কোভিড আক্রান্ত রোগী, কোভিড সন্দেহভাজন রোগী ও অন্যান্য সাধারণ রোগীর চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল নির্ধারণ করে যথাযথ চিকিৎসা প্রদান করতে হবে।

মহামারী করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) এর প্রাদুর্ভাব বাংলাদেশে শুরু হওয়ার পর থেকেই কোভিড আক্রান্ত ও কোভিড সন্দেহভাজন রোগীদের চিকিৎসাপ্রদান, বিদেশ থেকে আগত ব্যক্তিদের আইসোলেশন, কোয়ারান্টাইন নিশ্চিতকরণে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং বিভাগের মধ্যে সমন্বয়হীনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এমনকি সরকার ঘোষিত লকডাউন পালনে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রচেষ্টা থাকলেও কোনো কোনো ক্ষেত্রে দ্বিধান্বিত সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে লকডাউন সফলভাবে কার্যকর না হওয়ায় বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতি ক্রমান্বয়ে খারাপের দিকে যাচ্ছে। অধিকহারে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীআক্রান্তহওয়ায়চিকিৎসা সেবাপ্রদানে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষে কষ্টসাধ্য হচ্ছে।

ড্যাব নেতৃদ্বয় বলেন, কোভিড-১৯ সনাক্তকরণ পরিক্ষা সকলের জন্য সহজলভ্য না হওয়ায় এবং যথাযথ প্রচারণার অভাবে কোভিড সনাক্ত ও কোভিড সন্দেহভাজন রোগীর চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত হাসপাতাল নিয়ে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হচ্ছে। ফলশ্রুতিতে অনেক রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ঘুরে ঘুরে শেষ পর্যন্ত বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুবরণ করছে। গত এক সপ্তাহের মধ্যে বেসরকারী মেডিক্যাল কলেজের একজন অধ্যক্ষ এবং সরকারের অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তাকে এই ভাগ্যবরণ করতে হয়েছে।



ফেইসবুকে আমরা