চট্টগ্রাম, , রোববার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯

স্বর্ণ চোরাচালানের গডফাদার দোলন গোয়েন্দা জালে

প্রিয়সংবাদ ডেস্ক  ২০১৯-১০-২৮ ০২:১০:০২   বিভাগ:

 

প্রিয় সংবাদ ডেস্ক:: চোরাচালানে জড়িত সন্দেহে রাজধানীর একজন ধনাঢ্য স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গোয়েন্দা নজরদারিতে রাখা হয়েছে। নাম এনামুল হক খান ওরফে দোলন। শারমিন জুয়েলার্স নামের একটি স্বর্ণালংকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক তিনি।

তার বিরুদ্ধে দুবাইভিত্তিক স্বর্ণ চোরাচালান সিন্ডিকেটে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। চোরাচালানের রহস্য উন্মোচনের জন্য দোলনকে তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে মজুদ সব স্বর্ণের হিসাব জমা দিতে ইতিমধ্যে নির্দেশ দিয়েছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, দোলন রাজধানীর চোরাই স্বর্ণালংকার ব্যবসার মূল হোতা। বায়তুল মোকাররম মার্কেট ঘিরে তার অবৈধ স্বর্ণালংকার ব্যবসার শাক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে। চোরাকারবারের মাধ্যমে তিনি অঢেল বিত্তবৈভবের মালিক বনে গেছেন। প্রশাসনের নাকের ডগায় দীর্ঘদিন তিনি অবৈধ কারবার চালিয়ে গেলেও এতদিন কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. শহীদুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, এনামুল হক খানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় স্বর্ণ চোরাচালানের অভিযোগ আসে। অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তার বিদেশ ভ্রমণসহ আনুষঙ্গিক সব তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। তিনি বলেন, চোরাকারবারে জড়িত থাকার প্রমাণ পেলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সরেজমিন রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মার্কেটে দেখা যায়, নিচতলা ও দোতলায় সারি সারি স্বর্ণালংকারের দোকান। চাকচিক্যময় ও আলো ঝলমলে দোকানগুলোতে থরে থরে সাজিয়ে রাখা বিভিন্ন ডিজাইনের স্বর্ণালংকার।

দোতলায় ১৫/এ নম্বরের দোকানটির দরজা মাত্র দুই ফুট। সাইনবোর্ডে শারমিন জুয়েলার্স নয়, লেখা ‘গোল্ড হাউস’। আশপাশের দোকানের কর্মচারীরা জানান, এটির মালিক এনামুল হক দোলন। নিচতলায় শারমিন জুয়েলার্স নামে তার মূল শোরুম।

দেখা যায়, অন্য সব দোকান থেকে ‘গোল্ড হাউস’ একেবারেই ভিন্ন। বায়তুল মোকাররম মার্কেটের অন্য সব দোকান স্বচ্ছ কাচঘেরা হলেও ছোট এই দোকানটির কাচের দরজায় ব্লাইন্ড পেপার সাঁটানো। ফলে বাইরে থেকে ভেতরের কিছুই দেখা যায় না।

রোববার বিকালে দোকানে ঢুকে দেখা যায়, ভেতরে কোথাও স্বর্ণালংকারের ডিসপ্লে নেই। কয়েকটি টেবিলের ওপর দাঁড়িপাল্লা, নিক্তি ও মিটার রাখা। এলোমেলো ছড়িয়ে আছে কয়েকটি চেয়ার। ৩-৪টি মাঝারি আকারের টেবিল পাতা।

দেখে বোঝা যায়, বাইরে স্বর্ণের দোকানের সাইনবোর্ড থাকলেও ভেতরের চেহারা ভিন্ন। সাজসজ্জা দেখে মনে হয়, এটা একটা অফিস। আশপাশের ব্যবসায়ীদের কাছে দোকানটি সম্পর্কে জানতে চাইলে এ প্রতিবেদকের দিকে অনেকেই সন্দেহের চোখে তাকান। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে গোল্ড হাউস নামের দোকানটি ‘বাংলা গোল্ড’ নামে পরিচিত।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন স্বর্ণ ব্যবসায়ী যুগান্তরকে বলেন, দিনের বেশিরভাগ সময় গোল্ড হাউসের দরজা বন্ধ রাখা হয়। ভেতরে নিক্তি বা মিটার নয়, রীতিমতো বড় দাঁড়িপাল্লায় স্বর্ণালংকার মাপজোখ করা হয়। এখানে ভরিতে নয়, স্বর্ণালংকারের পাইকারি বেচাকেনা হয় কেজি হিসাবে।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কেজি বা মণ হিসাবে স্বর্ণ বেচাকেনা করলেও এই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের আমদানি খাতা প্রায় শূন্য। কয়েক বছরের রেকর্ড খুঁজেও তাদের ১০ কেজি স্বর্ণ আমদানির তথ্য পাওয়া যায়নি। আমদানি না করেও শারমিন জুয়েলার্সের জমজমাট পাইকারি ব্যবসার খোঁজ করতে গিয়ে দুবাইভিত্তিক চোরাচালানের খবর পাওয়া যায়। এরপর এনামুল হক দোলনের ভ্রমণ-তথ্য চেয়ে পুলিশের বিশেষ শাখায় চিঠি দেয়া হয়। জবাবে ইমিগ্রেশন পুলিশ দোলনের বিদেশ ভ্রমণ সম্পর্কে যে তথ্য পাঠায় তা রীতিমতো বিস্ময়কর।

এতে দেখা যায়, অজ্ঞাত কারণে দোলন প্রায় প্রতি সপ্তাহে যাচ্ছেন মধ্যপ্রাচ্যে। তার নিয়মিত গন্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের লাসভেগাসখ্যাত অভিজাত শহর দুবাই। এমনকি সপ্তাহে ২-৩ বারও সেখানে যাতায়াত করেছেন তিনি।

চলতি বছর জানুয়ারিতে শুল্ক গোয়েন্দার পক্ষ থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশকে লেখা এক চিঠিতে বলা হয়, শারমিন জুয়েলার্স, ৬৭ বায়তুল মোকাররম ঢাকা-এর স্বত্বাধিকারী এনামুল হক খানের ব্যবহৃত সব পাসপোর্টে বিদেশ ভ্রমণের তথ্য প্রয়োজন।

এতে বিগত তিন বছরের ভ্রমণ-তথ্য চাওয়া হয়। এই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৯ জানুয়ারি এবং ৭ জুলাই পাঠানো পৃথক প্রতিবেদনে দোলনের বিদেশ ভ্রমণ সংক্রান্ত তথ্য পাঠানো হয়। ইমিগ্রেশন পুলিশের এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম অনুযায়ী এনামুল হক খানের পাসপোর্ট নম্বর বিএন-০৯৭৩৫৬৬, বিএক্স-০৭৩৪৫২৫, বিএইচ-০৮৯৩৯৯৪ এবং বিসি-০১৪৪১৫২-এর মাধ্যমে গমনাগমনের তথ্য এতদসঙ্গে প্রেরণ করা হল।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১৭ সালের ২৫ এপ্রিল থেকে ২০১৮ সালের ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত ১৮ মাসে এনামুল হক তার বিএন-০৯৭৩৫৬৬ নম্বর পাসপোর্ট ব্যবহার করে ৩৬ বার বিদেশে যান। এর মধ্যে ২৬ বারই গেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতে।

এ ছাড়া বিএক্স-০৭৩৪৫২৫ নম্বর পাসপোর্টে গত বছর ১১ নভেম্বর থেকে চলতি বছর ২৪ জুন পর্যন্ত বিদেশ যান ১৪ বার। এর মধ্যে মাত্র চারবার গেছেন ভারত এবং থাইল্যান্ডে। বাকি ১০ বার যান সংযুক্ত আরব আমিরাত।

প্রতিবারই তিনি সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য দুবাই ভ্রমণ করেন। এক বা দুই দিনের মধ্যেই তিনি ফিরে আসেন। তবে চলতি বছর জানুয়ারি থেকে দোলন সতর্ক হয়ে যান।

তিনি দুবাই ভ্রমণের রেকর্ড লুকাতে ভিন্ন রুট বেছে নেন। এখন তিনি প্রায়ই কলকাতা হয়ে দুবাই যাতায়াত করছেন। দোলনের বিদেশ ভ্রমণ সংক্রান্ত তথ্য হাতে পাওয়ার পর শুল্ক গোয়েন্দার অনুসন্ধানে উঠে আসে তিনি দুবাইয়ের স্থায়ী আবাসিক কার্ডধারী।

এ জন্য দুবাই বিমানবন্দরে তিনি বিশেষ সুবিধা পেয়ে থাকেন। ফলে ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা এড়িয়ে সহজেই সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য যাতায়াত করতেন পারেন।

সূত্র জানায়, চোরাই স্বর্ণের ব্যবসা করে অঢেল বিত্তবৈভবের মালিক বনে গেছেন দোলন। ঢাকায় একাধিক বাড়ি ও ফ্ল্যাট ছাড়াও তার ব্যাংকে বিপুল অঙ্কের অর্থ রয়েছে। গ্রামের বাড়ি নরসিংদীতেও তিনি পাঁচ তারকা হোটেল স্টাইলে অভিজাত বাংলো বানিয়েছেন।

এই বাড়ি নির্মাণের জন্য যাবতীয় ফিটিংসহ গৃহসজ্জার উপকরণ আনা হয় দুবাই ও ইতালি থেকে।

যুগান্তরের নরসিংদী প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ সাহা জানান, নরসিংদী শহর থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরে মনোহরদী উপজেলার কাচিকাটা ইউনিয়নের খারাব গ্রামে এনামুল হক দোলনের বিশাল বাংলো। বিলাসবহুল অত্যাধুনিক বাংলোটির সামনে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা প্রহরা থাকে। চারদিকে লেকবেষ্টিত নিরাপত্তাঘেরা বাড়িটি দেখতে প্রতিদিনই উৎসুক মানুষের ভিড় জমে। বাড়ির ভেতরে ঢুকে দেখা যায়, চারদিকে প্রাচুর্যের উপকরণ ছড়ানো। দামি সোফায় সাজানো ড্রয়িং রুম। একদিকে ডাইনিং হল। ছাদে মূল্যবান ঝাড়বাতি লাগানো। লেকঘেঁষা সীমানাপ্রাচীর তৈরি করা হয়েছে পুরু স্বচ্ছ কাচ দিয়ে। একদিকে আছে বারবিকউ চুল্লি।

বাংলো স্টাইলের দোতলা বাড়ির ছাদে বসার বিশেষ ব্যবস্থা। সামনের ফাঁকা জায়গায় বিদেশি ঘাস দিয়ে প্রশস্ত লন বানানো হয়েছে। ঘাসের মাঝ দিয়ে মার্বেল পাথরে বানানো হাঁটার পথ। সব মিলিয়ে অপরূপ শৈল্পিক বাড়ি।

অজপাড়াগাঁয়ে এমন অভিজাত বাড়ি নিয়ে স্থানীয়দের মুখে মুখে নানা ধরনের গল্প চাউর। স্থানীয়রা জানান, এখানে প্রায়ই দামি দামি গাড়ির বহর নিয়ে অপরিচিত লোকজন আসে। মাঝে মাঝে ঢাকা থেকে নামিদামি শিল্পী এনে নাচ-গানের আড্ডাও বসানো হয়। তবে সেসব আড্ডায় সাধারণের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। স্বর্ণ ব্যবসায়ী দোলন এলাকায় ক্ষমতাধর ও প্রভাবশালী হওয়ায় তার কর্মকাণ্ড সম্পর্কে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে রাজি নন কেউ।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একজন বাসিন্দা জানান, খোরশেদ আলম নামের এক সহযোগীর মাধ্যমে দুবাইসহ কয়েকটি দেশে হুন্ডি ব্যবসা ও সোনা চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ করেন দোলন। বাড়ির কেয়ারটেকার রফিকুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, এখানে প্রতি মাসেই মালিক তার পরিবার ও ব্যবসায়িক বন্ধুবান্ধব নিয়ে ঘুরতে আসেন। ১-২ দিন থেকে চলে যান।

সূত্র জানায়, বিদেশ থেকে চোরাই পথে বাংলাদেশে স্বর্ণালংকার আনা হয় যাত্রীদের মাধ্যমে বিশেষ ব্যবস্থায়। চোরাচালান জগতে এ পদ্ধতিকে ‘প্যাসেঞ্জার ক্যারিয়ার’ বলা হয়। দুবাই ছাড়াও সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ড থেকেও স্বর্ণালংকার আনতে ‘প্যাসেঞ্জার ক্যারিয়ার’ ব্যবহার করা হয়।

মূলত আকাশপথেই স্বর্ণালংকার চোরাচালান হয়ে থাকে। এ পদ্ধতির প্রথম ধাপে দুবাই অথবা সিঙ্গাপুরের বড় বড় স্বণালংকারের দোকানে বিভিন্ন ডিজাইনের গহনা পছন্দ করে রেখে আসে চোরাচালানিরা। এরপর ট্রাভেল এজেন্টদের মাধ্যমে ঢাকা অভিমুখী যাত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।

স্বর্ণের গহনা বহনের শর্তে যাত্রীদের বিমান টিকিটের ওপর ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ডিসকাউন্ট দেয়া হয়। কাউকে কাউকে ডিসকাউন্টের বাইরে অতিরিক্ত নগদ টাকাও দেয় ট্রাভেল এজেন্ট। এভাবে প্রতি যাত্রীকে ১০০ গ্রাম বা ১০ ভরি স্বর্ণালংকার বহন করতে দেয়া হয়। বহনে সুবিধা থাকায় নারী যাত্রীদের দেয়া হয় ৩০ ভরি পর্যন্ত। এভাবে স্বর্ণালংকার এনে ডিসকাউন্টে টিকিট বা নগদ অর্থ পাওয়ায় যাত্রীদের অনেকেই খুশি থাকেন। দুবাই, সিঙ্গাপুর গেলে অনেক যাত্রী নিজে থেকে যোগাযোগ করে স্বর্ণালংকার এনে চোরাকারবারিদের কাছে দেন।

জানা গেছে, বিদ্যমান আইনের ফাঁকফোকর কাজে লাগিয়ে যাত্রীদের মাধ্যমে স্বর্ণ চোরাচালান হচ্ছে। শুল্ক আইনের ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী ভরিপ্রতি শুল্কের পরিমাণ দুই হাজার টাকা। তবে একজন যাত্রী নিজে ব্যবহারের জন্য বিদেশ থেকে ১০ ভরি পর্যন্ত স্বর্ণালংকার বিনা শুল্কে নিয়ে আসতে পারেন। এ জন্য কোনো ধরনের শুল্ক বা কর দিতে হয় না। ব্যাগেজ রুলের এই ফাঁক কাজে লাগাচ্ছে চোরাচালানিরা।

কারণ একজন যাত্রীর মাধ্যমে ১০ ভরি করে স্বর্ণ আনা গেলেও ২০ হাজার টাকা নিট লাভ থাকে। এভাবে প্রতিবার একটি বিমানের মাত্র ১০ জন যাত্রীকে ম্যানেজ করতে পারলেও ১০০ ভরি স্বর্ণালংকার আনা যায়। যার শুল্ক দাঁড়ায় দুই লাখ টাকা।

এ টাকার পুরোটাই চলে যায় চোরাকারবারির পকেটে। ফলে লাভজনক এই ব্যবসায় একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন সক্রিয়। ট্রাভেল এজেন্টের ছদ্মবেশে স্বর্ণ চোরাচালান সিন্ডিকেটের সদস্যরা সক্রিয় রয়েছে দুবাই, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডে। এমনকি এ দেশগুলোর এয়ারপোর্টের বাইরে যাত্রী ধরার জন্য চোরাকারবারিদের এজেন্টরা রীতিমতো লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে।

দোলনের বক্তব্য : স্বর্ণ চোরাচালানের অভিযোগ প্রসঙ্গে বক্তব্য জানতে চাইলে শারমিন জুয়েলার্সের মালিক এনামুল হক দোলন রোববার মোবাইল ফোনে যুগান্তরকে বলেন, আমার বিরুদ্ধে স্বর্ণ চোরাচালানের অভিযোগ মোটেও সত্য নয়। এটা একেবারেই বানোয়াট অভিযোগ। সব নিয়মকানুন মেনে আমি বৈধভাবে ব্যবসা করে আসছি। বর্তমানে আমি বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করছি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কিছুদিন আগে শুল্ক গোয়েন্দা আমাকে চিঠি দিয়ে কতগুলো বিষয় জানতে চেয়েছে। যেমন: গত ৫ বছরে আমি কোন কোন দেশে গেছি, কোথায় ছিলাম, কতদিন বিদেশে ছিলাম ইত্যাদি। আমি তাদের সব প্রশ্নের উত্তর দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। এ জন্য শুল্ক গোয়েন্দার কাছে আমি সময় চেয়ে চিঠি দিয়েছি। সূত্র: দৈনিক যুগান্তর



ফেইসবুকে আমরা